By Tanvir Ahmed, writes about online gaming and digital platforms in Bangladesh
বিকাশে টাকা মেলে, এমন কোনো গেমের বিজ্ঞাপন দেখে কি আপনি কখনও থমকে গিয়েছেন? মাস শেষে বাড়তি কিছু টাকার দরকার প্রায় সবারই পড়ে, তাই কথাটা কানে মিষ্টি শোনায়। কিন্তু টাকা ইনকাম করার গেম বিকাশ পেমেন্ট লেখা কোনো দাবির সামনে দাঁড়ালে আগে জিজ্ঞেস করা দরকার, এই টাকা আসছে কোথা থেকে আর যাচ্ছে কোথায়।
এই লেখায় একজন পাঠকের পথ ধরে এগোনো হয়েছে: বিজ্ঞাপন দেখা, পেজ পড়া, টাকা জমা দেওয়া, তোলার শর্ত বোঝা এবং নিজের সীমা ঠিক করা। লেখাটি শুধু ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য, এবং এতে আয়ের কোনো প্রতিশ্রুতি নেই।
এই বাক্যাংশে তিনটি আলাদা জিনিস জোড়া লেগে আছে। ইনকাম মানে সাধারণত কাজের বিনিময়ে নিয়মিত ও আন্দাজযোগ্য টাকা। গেম মানে বিনোদন, যার ফল অনেক ক্ষেত্রে ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে। আর বিকাশ পেমেন্ট শুধু বলে, টাকা কোন পথে যাতায়াত করছে।
উদাহরণ হিসেবে Jita365-এর পেজ ধরা যাক। সাইটটির বক্তব্য অনুযায়ী তারা অনলাইন গেমিং সেবার জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত ও নিয়ন্ত্রিত, আর তাদের তালিকায় স্লট, ফিশার গেম, বিঙ্গো, লটারি এবং অন্যান্য লাইভ ও টেবিল গেম আছে। কেউ টাকা ইনকাম করার গেম বিকাশ পেমেন্ট খুঁজতে খুঁজতে এমন কোনো পেজে পৌঁছালে দেখবেন, সেখানে গেমের ধরন, প্রোভাইডার ও পেমেন্ট পদ্ধতির বর্ণনা আছে। এই বর্ণনাগুলোর কোনোটিই আয়ের নিশ্চয়তা নয়, আর সেভাবে পড়াও উচিত নয়।

আয়ের লোভ দেখানো পেজগুলোতে কিছু চেনা ছাপ থাকে।
ছয়টির একটিও মিলে গেলে কোনো লেনদেনের আগে থামুন।
একটি ছোট খাতা কল্পনা করুন, যার এক কলামে আয়, অন্যটিতে খরচ। বেতন বা ব্যবসার টাকা যায় আয়ের কলামে। গেমে দেওয়া টাকা যাবে খরচের কলামে, ঠিক যেমন বন্ধুদের সঙ্গে বাইরে খাওয়ার বিল যায়। কিছু ফেরত এলে সেটি অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তি, মাসের পরিকল্পনার অংশ নয়।
ধরুন মাসের শুরুতে হাজার টাকা আলাদা করলেন, যার অভাবে ঘরের কোনো কাজ আটকাবে না। ওই অঙ্ক শেষ হলে বাকি মাসে আর ডিপোজিট নয়। হারানো টাকা ফেরাতে নতুন ডিপোজিট দেওয়াই সবচেয়ে বিপজ্জনক অভ্যাস।